ফটিকছড়ি-কাঞ্চননগর সড়কে চলাচলে জনদুর্ভোগ

Sanchoy Biswas
মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ফটিকছড়ি
প্রকাশিত: ৬:০৩ অপরাহ্ন, ১৮ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১:৪৪ অপরাহ্ন, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি-কাঞ্চননগর সড়ক কাহিল অবস্থায় পরিণত হয়েছে। চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী।

দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ১৩ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ ও ইট-সুরকি উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‎করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালচক্রের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট

সাম্প্রতিক টানা বর্ষণে এসব গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।

জানা যায়, উক্ত সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কাঞ্চুরহাট, পাইন্দং, চৌমুহনী, কাঞ্চননগর, লক্ষ্মীছড়ি ও কর্ণফুলী চা-বাগান এলাকার লক্ষাধিক মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় চলাচল এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: নিষেধাজ্ঞার পর আরিচা মহাসড়কে নিন্ত্রণহীনভাবে অটোরিকশা চলাচল

স্থানীয়রা জানান, তেমুহনী বাজারের মধ্যস্থলে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থাকায় ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও পথচারীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। হাদির গেইট-সংলগ্ন সিএনজি স্টেশন থেকে তেমুহনী বাজার মোড় পর্যন্ত বড় বড় গর্তে পানি জমে ছোট পুকুরের মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া করাদী মার্কেটের সামনে সড়ক ধসে বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে সেখানে লাঠি পুঁতে লাল পতাকা টানিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া মুরগি ফার্মের সামনে, কালামের রাবার বাগান-সংলগ্ন এলাকা এবং রাবার বাগান বটতলা অংশে ইট-সুরকি উঠে গিয়ে সড়কটি খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। এসব স্থানে যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সড়কের আরও বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট গর্ত সৃষ্টি হয়েছে, যা দ্রুত সংস্কার না করলে বড় আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।

স্থানীয় সিএনজি চালক বশির আহমদ ও মোহাম্মদ বাদশা বলেন, সড়কের বড় বড় গর্তের কারণে যাত্রীদের দুর্ভোগের পাশাপাশি প্রায়ই যানবাহন বিকল হয়ে যায়। তারা দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান।

তেমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী রফিকুল আলম ও নেজাম উদ্দীন বলেন, কার্যকর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘসময় পানি জমে থাকে। এতে সড়কের ক্ষতি আরও বেড়েছে। দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে সড়কটি সংস্কার করা হলে জনদুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে।

উপজেলা প্রকৌশলী জুনায়েদ আফসার চৌধুরী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে দ্রুত প্রাথমিক সংস্কারকাজ করা হবে। পরে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় কার্পেটিংয়ের মাধ্যমে সড়কটির পূর্ণাঙ্গ সংস্কার করা হবে।