সাভারে রাস্তা বন্ধ, ছয় পরিবার ঘরবন্দী- প্রশাসনের হস্তক্ষেপে খুলল পথ

Sanchoy Biswas
জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, আশুলিয়া
প্রকাশিত: ৫:০৩ অপরাহ্ন, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১১:৫৫ অপরাহ্ন, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথটুকুও যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখন ঘরের ভেতর থাকাটাই যেন বন্দিত্বের মতো হয়ে ওঠে। ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় এমনই পরিস্থিতিতে পড়েছিল ছয়টি পরিবার। দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার পর বিপাকে পড়ে পরিবারগুলো। পরে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় সেই রাস্তা খুলে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ সেলিম রেজা ও স্থানীয় ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল হালিম মৃধা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। পরে বন্ধ করে দেওয়া অংশ সরিয়ে দিয়ে রাস্তাটি আবার চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন: হাওরাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকায় ‘দিগন্ত মেগা শপ’, গ্রামীণ জনপদে শহরের ছোঁয়া

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জামগড়া এলাকার ওই পথটি দিয়ে ছয়টি পরিবারসহ আশপাশের মানুষ নিয়মিত চলাচল করতেন। হঠাৎ টিনের বেড়া দিয়ে পথটি বন্ধ করে দেওয়ায় বাড়ি থেকে বের হওয়া, বাজারে যাওয়া কিংবা জরুরি প্রয়োজনে চলাচলেও ভোগান্তিতে পড়েন বাসিন্দারা।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ ফাহিমা বলেন, ‘আলম ভূঁইয়া রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় আমরা খুব কষ্টে ছিলাম। বাড়িতে আসা-যাওয়া করতে পারতাম না। আজ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে লোকজন এসে রাস্তা খুলে দিয়েছেন।’

আরও পড়ুন: রান্নাঘর থেকে ফিলিং স্টেশন, কুমিল্লায় তীব্র গ্যাস সংকট

শাহ আলম বলেন, ‘রাস্তা বন্ধ থাকায় ছয়টি পরিবার খুব সমস্যায় ছিল। আজ রাস্তা খুলে দেওয়ায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম মৃধা বলেন, ‘রাস্তা বন্ধ থাকায় ছয়টি পরিবার অনেক কষ্টে ছিল। রাস্তাটি খুলে দেওয়ায় তাদের ভোগান্তি কমেছে।’

ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ সেলিম রেজা বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তা বন্ধ করে মানুষের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির বিষয়টি দেখা যায়। মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে ভবন নির্মাণের সুযোগ নেই। ভবিষ্যতে যাতে রাস্তাটি আবার বন্ধ করা না হয়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাস্তা খুলে দেওয়ার পর ছয় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন।