আশুলিয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ১০ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ

Sadek Ali
আশুলিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮:১৫ অপরাহ্ন, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৯:০৯ অপরাহ্ন, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকার আশুলিয়ায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে তিনজনকে মারধর এবং ক্যাশে থাকা ১০ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীসহ ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এক কর্মচারীকে লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করারও অভিযোগ রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা বাদি হয়ে কামনা আক্তার অনামিকা ও সেলিম রেজার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় বাংলাদেশ জাসদের মানববন্ধন

এর আগে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাইপাইল বাসস্ট্যান্ডের পাশে খান হোটেলসংলগ্ন জে. আলম নামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার সময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কুদ্দুস মোল্লা, কর্মচারী মোশারফ হোসেন ও নূর নবী ছিলেন। এ সময় কামনা আক্তার, সেলিম রেজাসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন।

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় এম এ গণি কলেজ ও সিঙ্গুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি শওকতুল ইসলামকে সংবর্ধনা

তারা প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে কর্মচারী মোশারফ হোসেনের মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে ক্যাশে থাকা ১০ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী কুদ্দুস মোল্লা বলেন, তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে কামনা আক্তার অনামিকার বিয়ে হয়েছিল। বনিবনা না হওয়ায় গত ২৭ আগস্ট তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকেই ছেলেকে ব্যবসা করতে না দেওয়া এবং ক্ষতির হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

কর্মচারী মোশারফ হোসেন বলেন, ১০ থেকে ১২ জন লোক এসে আমাদের মারধর করে দোকান থেকে বের করে দেয়। পরে ক্যাশে থাকা ১০ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

আরেক কর্মচারী নূর নবীর অভিযোগ, হামলাকারীরা সিসিটিভি বন্ধ করে তাদের মারধর করে এবং তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কামনা আক্তার অনামিকা। তিনি বলেন,দোকানটি আমার নামে চুক্তি করা। লুট করতে নয়, সংসার খরচের বিষয়ে কথা বলতে সেখানে গিয়েছিলাম। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। তবে দোকানের চুক্তিপত্র নিয়ে মিথ্যাচার করেছে বলে জানিয়েছেন জাহাঙ্গীর। চুক্তিপত্র তার নিজের নামেই।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নূর আমীন বলেন,অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।