মোহনগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু মঙ্গলবার থেকে

Shahrier Islam Pallab
নেত্রকোনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৫:১৪ অপরাহ্ন, ১২ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৫:৫৮ অপরাহ্ন, ১২ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ শুরু হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার। প্রথম ধাপে উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদের হলরুমে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহবিষয়ক অবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন: জীবিত হয়েও পরিচয়পত্রে মৃত, স্বীকৃতির আশায় ৯ বছর ধরে ঘুরছেন আবুল কাসেম

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রফিক উদ্দীন, তথ্য সংগ্রহকারী, সুপারভাইজার ও স্থানীয় সাংবাদিকেরা।

সভা সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের জন্য ৬২ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ছয়জন সুপারভাইজার দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে ছয়জন তথ্য সংগ্রহকারী ও একজন সুপারভাইজারকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মূল দায়িত্ব পালনের জন্য ৬৮ জন এবং রিজার্ভ হিসেবে সাতজনসহ মোট ৭৫ জনকে এ কার্যক্রমের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সোনারগাঁয়ে বিশেষ অভিযানে ৩৫ জন গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

প্রথম পর্যায়ে ১ নম্বর বড়কাশিয়া-বিরামপুর, ২ নম্বর বড়তলী-বানিয়াহারী ও ৩ নম্বর তেতুলিয়া ইউনিয়নে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে। মঙ্গলবার সকাল থেকে বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম শুরুর কথা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে সেখানে দায়িত্ব পালনের জন্য ১৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও একজন সুপারভাইজারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তথ্য সংগ্রহের কাজে তাঁদের ট্যাব সরবরাহ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য তথ্য সংগ্রহকারীদেরও ট্যাব দেওয়া হবে।

সভায় ইউএনও আমেনা খাতুন বলেন, তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যসংখ্যা, আয় ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করবেন। পরে এসব তথ্য নির্ধারিত সফটওয়্যারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে পরিবারের সংখ্যা নির্ধারণসহ পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য ব্যক্তিরা পরবর্তী সময়ে ভাতা পাবেন।

তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের পুরো প্রক্রিয়া সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে। ফলে অনিয়মের সুযোগ থাকবে না। এ জন্য তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে নির্ভুল ও সঠিক তথ্য সংগ্রহের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের এ কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগী নির্ধারণের পরবর্তী প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে বলে সভায় জানানো হয়।