রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়নে নিজ অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার করছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু মাসুম

Sadek Ali
শ্রী দিপু চন্দ্র গোপ, রূপগঞ্জ
প্রকাশিত: ১২:৪৩ অপরাহ্ন, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১:৩৮ অপরাহ্ন, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়নে ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে ভরা সড়ক সংস্কারে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আবু মোহাম্মদ মাসুম। সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষায় না থেকে নিজ অর্থায়নে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সড়ক মেরামত ও নতুন রাস্তা নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি মসজিদ-মাদরাসায় অনুদান, অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জটিল রোগে আক্রান্ত দরিদ্র রোগীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়াসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন এই ব্যক্তি।স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ লাঘব ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যেই তাঁর এ উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ইউনিয়নের পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ভাঙাচোরা সড়ক সংস্কারের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন রাস্তা নির্মাণেও অর্থ ব্যয় করছেন তিনি।

তাঁর দাবি, ইতোমধ্যে নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ২৩টি রাস্তা মেরামত ও সংস্কার করেছেন এবং কয়েকটি সড়ক নতুন করে নির্মাণ করেছেন।এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ অক্টোবর, রবিবার দুপুরে রূপগঞ্জ উপজেলার ভিংরাবো ইসকন মন্দির থেকে ডেমড়া-কালীগঞ্জ সড়কের সংযোগ সড়ক পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন করেন আবু মোহাম্মদ মাসুম। এ সময় যুবদল নেতা রমজান হোসেনসহ স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।উদ্বোধনকালে আবু মোহাম্মদ মাসুম বলেন, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু রূপগঞ্জের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা পরিচালক গ্রেপ্তার

তাঁর নির্দেশনায় আমরাও জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে স্থানীয় সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করছি। মানুষের দুর্ভোগ কমানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।তিনি আরও বলেন, রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের অনেক রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। কোথাও কোথাও খানাখন্দের কারণে মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এসব সড়কের উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগও প্রয়োজন। সে বিবেচনা থেকেই নিজের অর্থায়নে প্রায় ২৩টি রাস্তা সংস্কার ও মেরামত করেছি। কয়েকটি স্থানে নতুন রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগও নিয়েছি। মানুষের প্রয়োজনের সময় তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। সড়ক সংস্কারের পাশাপাশি অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহায়তা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান এবং অসুস্থ মানুষের চিকিৎসায় সহযোগিতার কার্যক্রমও অব্যাহত রাখতে চান তিনি।স্থানীয় পর্যায়ে সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ নিরসনে এ ধরনের উদ্যোগ কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখে, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে আলোচনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের প্রত্যাশা, উদ্যোগটি অব্যাহত থাকলে চলাচলের দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থারও উন্নতি হবে।