মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যার পেছনে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই: ডিএমপি

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:১৬ অপরাহ্ন, ১৬ জুলাই ২০২৫ | আপডেট: ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, ১৬ জুলাই ২০২৫
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।ছবিঃ সংগৃহীত
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।ছবিঃ সংগৃহীত

রাজনৈতিক কোনো কারণে নয়, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকায় লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এই হত্যা মামলার অগ্রগতি প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, ‘হত্যার মূল আসামি রেজোয়ান উদ্দিন অভিকে মঙ্গলবার পটুয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি একজন ধর্মান্তরিত মুসলিম। এ হত্যায় জড়িত সবাইকেই আইনের আওতায় আনা হবে। অভিযুক্তদের রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই।

আরও পড়ুন: প্রতিটি থানা এলাকায় অপরাধ প্রতিরোধ নিশ্চিত করতে হবে: ডিএমপি কমিশনার

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ও ব্যক্তিগত কোন্দল থেকেই এ হত্যাকাণ্ড। সোহাগ ও অভিযুক্তরা চোরাই অ্যালুমিনিয়াম তার বিক্রি করতেন গত ১৭ বছর ধরেই করে। ৫ আগস্টের পর ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। সেই দ্বন্দ্ব থেকেই এ হত্যা। এতে নির্বাচন বানচাল বা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র নেই।’

নজরুল ইসলাম আরও জানান, হত্যার পর অভিযুক্তরা মব তৈরির চেষ্টা করে। পুলিশ বুঝতে পেরে সেই মব থেকেই মহিন ও রবিন নামের দুজনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন: বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন নিয়ে বিভ্রান্তি, সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন ইস্যু জেআরডিতে অন্তর্ভুক্ত

গত ৯ জুলাই পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মিটফোর্ড হাসপাতাল) সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগকে কুপিয়ে ও পাথরের আঘাতে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সারা দেশে সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরে ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের বোন।