বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ, চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা
আগামীকাল মঙ্গলবার মহান বিজয় দিবস। দিবস উপলক্ষে জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত করা হয়েছে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এদিন শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধাসহ লাখ লাখ মানুষ। সোমবার দুপুরে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনোয়ার খান আনু প্রস্তুতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মহান বিজয় দিবস সামনে রেখে লাল-সবুজের আভায় সেজে উঠেছে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। রং-তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বেদি সংলগ্ন সিঁড়ি। গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ধোয়া-মোছা ও আলোকসজ্জাসহ নানা আয়োজন শেষে বর্ণিল রূপে সেজেছে স্মৃতিসৌধ এলাকা। মঙ্গলবার যেখানে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢল নামবে সর্বস্তরের মানুষের।
আরও পড়ুন: এসবি প্রধানসহ পুলিশের উচ্চ পর্যায়ে ব্যাপক রদবদল
স্মৃতিসৌধে কর্মরত শ্রমিকরা জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন ফুলের গাছ, রং তুলি দিয়ে আলপনার মাধ্যমে সাজানো হচ্ছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। প্রকৌশলী মো. আনোয়ার খান আনু বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের উদ্যোগে জাতীয় স্মৃতিসৌধকে ধুয়ে মুছে পরিষ্কারকরণ, ফুলগাছ রোপণ, সিসি ক্যামেরা স্থাপন, রং তুলির কাজ ও লেক সংস্কারসহ নানা কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
বিজয় দিবসে প্রথম শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হবে স্মৃতিসৌধ। দিবসটি উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও নেয়া হয়েছে চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
আরও পড়ুন: র্যাবের নতুন মহাপরিচালক ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ
ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, ‘বিজয় দিবসে যে নিরাপত্তা রয়েছে আমাদের সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষার্থে যা যা করণীয় আমাদের সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আমাদের মাননীয় আইজিপি মহোদয়ের নির্দেশে আমরা আমাদের রেঞ্জের সব জায়গায় চেকপোস্ট, টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং এটা চলবেই।’
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নয়া আঙ্গিকে এবার দ্বিতীয়বারের মতো উদযাপন হতে যাচ্ছে মহান স্বাধীনতা দিবস। মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২৪’এর আন্দোলনে সকল শহীদদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয়া এবং একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রপূর্ণ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশায় পালিত হবে দিবসটি।





