এক শুটারসহ গ্রেপ্তার ৪

মুছাব্বির হত্যায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি: ডিবি

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:১৩ অপরাহ্ন, ১১ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম। রোববার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমনটা জানান।

অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম জানান, আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ছাড়াও বিভিন্ন আলামত যাচাই-বাছাই শেষে ডিবি পুলিশ আসামিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এরপর গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম ঢাকা, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে। এরই ধারাবাহিকতায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুই শুটারের মধ্যে একজনসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: অস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযান, যা বলল ডিএমপি

তিনি জানান, হত্যায় অংশ নেওয়া ২ জন শুটারের মধ্যে একজন হলেন জিনাত। তার বাবার নাম আব্দুর রশিদ। আর হত্যাকাণ্ডের মূল সমন্বয়কারী বিল্লাল হোসেন। তার বাবার নাম শহিদুল্লাহ। এছাড়া শহিদুল্লার ভাই আব্দুল কাদের ঘটনার পর আসামিদের পালাতে সহায়তা করা ছাড়াও তাদের মোবাইল বদলে সহায়তা করেন।

ডিবির এই অতিরিক্ত কমিশনার আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের আগে আসামিরা রেকি করেছিল। এই কাজে সহায়তা করে রিয়াজ নামে একজন। তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরমধ্যে শুটার জিনাত ও বিল্লাল রাজধানীর মহাখালী এলাকায় থাকে। তাদের কাছ থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে, যেটি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছিল।

আরও পড়ুন: লাইসেন্স ছিল না, ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করেও বন্ধ হয়নি টুপটুপ রিসোর্ট

হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাজনৈতিক ব্রাকগ্রাউন্ড পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কারওয়ান বাজারকেন্দ্রিক ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তর তদন্তের স্বার্থে এখনই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে আপন দুই ভাই ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে এবং আরেক ভাই সরাসরি জড়িত। জিজ্ঞাসাবাদ ও অধিকতর তদন্তের পর আমরা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানাব।’

উল্লেখ্য, গত ৭ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে কারওয়ান বাজারের স্টার গলিতে দুর্বৃত্তরা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পান্থপথের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই সময় তার সঙ্গে থাকা তেজগাঁও থানা রিকশা-ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান বেপারী মাসুদও গুলিবিদ্ধ হন।