গাজীপুর থেকে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান শুরু: ডাঃ এম এ মুহিত

Any Akter
বশির আহমেদ কাজল,গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৩:৪৫ অপরাহ্ন, ০৫ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৮:৪৮ অপরাহ্ন, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশে হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির সূচনা গাজীপুর থেকেই শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।

রবিবার(৫ এপ্রিল) সকাল ৯টায় গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়াল মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, টিকার কোনো ঘাটতি যেন না থাকে সে জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়েছে। হাম প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থাও এতে সহযোগিতা করছে।

আরও পড়ুন: দোকানপাট ও শপিংমল খোলার সময় নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে জনগণের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। তথ্য ও বিজ্ঞানের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং ধাপে ধাপে দেশের সব সিটি কর্পোরেশনে এ টিকাদান কার্যক্রম চালু করা হবে। এ সময় তিনি গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, অতীতের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে স্বাস্থ্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বর্তমান সরকার তা কাটিয়ে উঠতে কাজ করছে। তিনি মির্জাপুর বাজারে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি ১০ থেকে ৩০ শয্যায় উন্নীত করার দাবি জানান।

আরও পড়ুন: কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে ঢাবি ছাত্রদল নেতা আটক

এ সময় গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি, জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভুঁইয়া, জেলা সিভিল সার্জনসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউনিসেফের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর জেলা ও সিটিতে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ২৮ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৫ দিনব্যাপী এ কর্মসূচি জেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত হবে।

ইতোমধ্যে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে এবং অভিভাবকদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ আশা করছে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে হাম ও রুবেলা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এনে শিশুদের জন্য নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।