শেরপুরের সংঘাতে ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহার
শেরপুরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
আরও পড়ুন: জাতীয় নির্বাচনের মতোই গুরুত্ব পাচ্ছে উপনির্বাচন: সিইসি
তিনি বলেন, শেরপুরের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ইউএনও ও ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রার্থীদের বিরুদ্ধে গঠিত জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।
আখতার আহমেদ বলেন, “শেরপুরের ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। আচরণবিধি অনুযায়ী আয়োজিত নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে এ ধরনের সহিংসতা দুর্ভাগ্যজনক। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে ইউএনও ও ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বাকি প্রক্রিয়াগত বিষয়গুলো দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।”
আরও পড়ুন: জানুয়ারিতে সংবিধান সংশোধন, এরপর গণভোটের পরিকল্পনা
উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ’ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।





