যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তে দগ্ধ চৌদ্দগ্রামের যমজ দুই বোন, বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:২৮ পূর্বাহ্ন, ২৩ জুলাই ২০২৫ | আপডেট: ৪:২৮ পূর্বাহ্ন, ২৩ জুলাই ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি এফটি-৭ বিজিআই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তে চৌদ্দগ্রামের দুই যমজ বোন মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছেন। তারা বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন।

দগ্ধ দুই শিক্ষার্থী হলেন সারিনা জাহান (২০% দগ্ধ) ও সাইবাহ জাহান (৮% দগ্ধ)। তারা কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের কুলিয়ারা গ্রামের বাসিন্দা** ও উত্তরার ব্যবসায়ী এয়াসিন মজুমদারের যমজ কন্যা। বর্তমানে তারা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন: দেশে তরুণ-তরুণীদের উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে এইচআইভি সংক্রমণ

সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে মাইলস্টোন স্কুলে পঠনকালীন সময়েই যুদ্ধবিমানটি স্কুল চত্বরে বিধ্বস্ত হয়, এতে শ্রেণিকক্ষে অবস্থানরত সারিনা ও বারান্দায় থাকা সাইবাহ অগ্নিদগ্ধ হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তারা এখন আশঙ্কামুক্ত হলেও তীব্র আতঙ্ক ও মানসিক ট্রমার মধ্যে রয়েছে। সিসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় দুই বোন আতঙ্কে চিৎকার করে উঠছে, এমনটাই জানিয়েছেন তাদের বাবা।

আরও পড়ুন: সানওয়ে–জেজি হেলথকেয়ারের চুক্তি, বাংলাদেশিদের বিদেশে চিকিৎসা হবে আরও সহজ

দুই সন্তানের এমন অবস্থায় মা আকলিমা আক্তার কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। দেশবাসীর কাছে সন্তানদের জন্য দোয়া চেয়েছেন তিনি।

এদিকে জাতীয় সামাজিক সংগঠন আনন্দ সংঘের উপদেষ্টা শাহীন আহমদ খান, প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আল-আমীন রাসেল, এবং কেন্দ্রীয় সদস্য শরিয়ত উল্লাহ রাজিবসহ চৌদ্দগ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ হাসপাতালে গিয়ে আহত শিক্ষার্থীদের বাবাকে সান্ত্বনা দেন।

পিতা এয়াসিন মজুমদার জানান, “আমি শুধু আমার দুই মেয়ের সুস্থতা চাই। তারা যেন স্বাভাবিকভাবে জীবন ফিরিয়ে পায়।”