খামেনি বেঁচে আছেন এবং দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-কে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত করা হয়েছে—এমন দাবি করেছে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সূত্র। তাদের বরাতে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়র্টস এবং ইসরায়েলি টেলিভিশন চ্যানেল চ্যালেন-১২ মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছে।
তবে ইরানের রাষ্ট্রঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, খামেনি জীবিত আছেন এবং পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছেন। তাদের দাবি, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
আরও পড়ুন: ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে অন্তত ৮ জন নিহত, কয়েক ডজন আহত
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলি ও পশ্চিমা সূত্রে প্রকাশিত তথ্যের সঙ্গে ইরানি গণমাধ্যমের বক্তব্য পুরোপুরি সাংঘর্ষিক।
চ্যানেল ১২–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে খামেনির মরদেহের ছবি দেখানো হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়, নিজ প্রাসাদ কমপাউন্ডে হামলার সময় তিনি নিহত হন এবং পরে উদ্ধারকারীরা মরদেহ সরিয়ে নেয়।
আরও পড়ুন: মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি আইআরজিসির
অন্যদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস স্যাটেলাইটচিত্র প্রকাশ করে জানায়, লক্ষ্যবস্তু এলাকায় বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন
দেখা গেছে। ছবিতে একটি প্রাসাদসদৃশ স্থাপনা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত অবস্থায় রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
তবে এখন পর্যন্ত ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না আসায় পরিস্থিতি নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে তথ্যযুদ্ধও সমান তীব্র হয়ে ওঠে। ফলে নিশ্চিত তথ্যের জন্য আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না পাওয়া পর্যন্ত বিভ্রান্তি থেকেই যাচ্ছে।





