যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে খালি হাতেই মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে!

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭:১০ পূর্বাহ্ন, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, ১৭ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কুদস প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানি বলেছেন, মানবতার শত্রুদের প্রতিরোধ করতে সমন্বিত ফ্রন্ট পুরো অঞ্চলে শক্তিশালী ও কার্যকর অবস্থান বজায় রেখে অপেক্ষা করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কোনো ধরনের অর্জন ছাড়াই মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল ত্যাগ করবে। এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন ।


আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ৬০ দিনের সমঝোতা: ফাঁস হওয়া ১২ শর্তে কী আছে?

ইসমাইল কানি ওই পোস্টে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শাসনব্যবস্থা যেন মনে রাখে, তারা কীভাবে ইয়েমেন, বাব-এল-মান্দেব ও লোহিত সাগর থেকে খালি হাতে ফিরে গিয়েছিল। এবারও তারা কোনো অর্জন ছাড়াই অঞ্চল ত্যাগ করবে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন নৌবাহিনী দিয়ে হরমুজ প্রণালি অবরোধ এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানকে কর প্রদানকারী জাহাজগুলোকে বাধা দেওয়ার ঘোষণা দেন। এমন ঘোষণার পরেই ইসমাইল কানি এ মন্তব্য করেন। তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ বিষয়ে ভিন্ন অবস্থান জানিয়ে বলেছে, এই পদক্ষেপ শুধুমাত্র ইরানি বন্দরে যাতায়াতকারী জাহাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। ইরানে না যাওয়া আন্তর্জাতিক জাহাজগুলো প্রণালিতে অবাধে চলাচল করতে পারবে বলেও জানানো হয়।মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সোমবার থেকে ইরানি বন্দরের ওপর অবরোধ কার্যকর শুরু হবে।


আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম তিন মাসের সর্বনিম্ন

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইসলামাবাদে বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর ইরান আবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তেহরান ‘খুব মরিয়া হয়ে’ ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে চায়। চলমান অচলাবস্থা কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, মূল বিষয়টি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক বিষয়ে একমত হয়েছি।’ তবে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা সংক্রান্ত বিষয়ে একমত হওয়া যায়নি বলে ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প। গত শনিবার পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ইসলামাবাদে আলোচনায় বসে। প্রায় ২১ ঘণ্টা আলোচনা শেষে রোববার সকালে এই বৈঠক শেষ হয় কোনো সমঝোতা ছাড়াই। এরপর আজ ইরানের সব বন্দর অবরোধ করল যুক্তরাষ্ট্র।