জাতিসংঘের কালো তালিকায় ইসরায়েল

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:৩৫ অপরাহ্ন, ২৯ মে ২০২৬ | আপডেট: ৮:৩৫ অপরাহ্ন, ২৯ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

যুদ্ধক্ষেত্র ও সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যৌন সহিংসতার অভিযোগে ইসরায়েলকে ‘ব্ল্যাকলিস্ট’ বা কালো তালিকাভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেল আবিব।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন এ তথ্য জানান। তিনি জাতিসংঘের এ সিদ্ধান্তকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ ও ‘বাস্তবতাবিবর্জিত’ বলে দাবি করে এর নিন্দা জানান।

আরও পড়ুন: শেষ ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন, সন্ত্রাসবাদ ও একতরফা সংঘাতের নিন্দা

জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কার্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্ক স্থগিত করেছে ইসরায়েল।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি বাহিনীর ধর্ষণ ও বিভিন্ন ধরনের যৌন সহিংসতার অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং মিডল ইস্ট আইসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই জাতিসংঘ এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে রুশ ড্রোন হামলা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বরিস জনসন

প্রথমে জেরুজালেম পোস্ট ইসরায়েলের কালো তালিকাভুক্ত হওয়ার খবর প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালের তালিকায় ইসরায়েলি কারা (আইপিএস) কর্তৃপক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ভবিষ্যতে আরও কয়েকটি ইসরায়েলি সংস্থাকে তালিকাভুক্তির জন্য নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব ইসরায়েলকে হামাস ও আইএসআইএসের মতো সংগঠনের সঙ্গে একই তালিকায় স্থান দিয়েছেন। তার মতে, এটি জাতিসংঘের নৈতিক অবস্থানের অবক্ষয় এবং সংস্থাটির বিশ্বাসযোগ্যতায় নতুন ধাক্কা।

উল্লেখ্য, সংঘাত-সম্পর্কিত যৌন সহিংসতা নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের বার্ষিক প্রতিবেদনের অংশ হিসেবে এ কালো তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে সশস্ত্র সংঘাত চলাকালে ধর্ষণ ও অন্যান্য যৌন সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিভিন্ন পক্ষকে চিহ্নিত করা হয়।