রাষ্ট্রীয় শোক ও বিধিনিষেধের মধ্যেই রঙিন আলোয় শুরু হলো ২০২৬
রাষ্ট্র সংস্কারের নানা উদ্যোগ, মব সন্ত্রাস, প্রাণঘাতী ভূমিকম্প, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুসহ একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো একটি বছর। এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় শুরু হলো আরেকটি নতুন বছর—খ্রিষ্টীয় ২০২৬ সাল।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই ঢাকার আকাশে দেখা যায় বর্ণিল আলোর ঝলকানি। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে নগরীর বিভিন্ন স্থানে ফানুস, গ্যাস বেলুন ও আতশবাজির আলোয় উজ্জ্বল হয়ে ওঠে রাতের আকাশ।
আরও পড়ুন: ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ
তবে এবারের নতুন বছর এসেছে এক ব্যতিক্রমী সময়ে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশজুড়ে তখন চলছিল তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক। শোকের এই সময়ে খ্রিষ্টীয় নতুন বছর উদযাপন উপলক্ষে রাজধানীতে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
মঙ্গলবার ডিএমপির জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি ও পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ থাকবে। পাশাপাশি উন্মুক্ত স্থানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি ও শোভাযাত্রা আয়োজন না করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, ইউএইর সঙ্গে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগোচ্ছে
কিন্তু শোকের আবহ এবং প্রশাসনের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় রাতের আকাশে রঙিন আলোর ঝলকানি দেখা যায়। কোথাও কোথাও ফানুস ও গ্যাস বেলুন উড়তে দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এদিকে ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বুধবার সন্ধ্যা থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রবেশপথে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। রাতের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বাইরের কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
রাষ্ট্রীয় শোক, প্রশাসনিক সতর্কতা ও নিরাপত্তার কড়াকড়ির মধ্যেই এভাবেই শুরু হলো খ্রিষ্টীয় নতুন বছর ২০২৬।





