কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারে দিনব্যাপী বিভিন্ন সরকারি ও জনসম্পৃক্ত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট কক্সবাজার বিমানবন্দর ত্যাগ করে। পরে রাত ১টার দিকে বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ
এর আগে রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ এলাকায় স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে কক্সবাজার শহরের একটি হোটেলে আয়োজিত সুধী সমাবেশে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সকালে আকাশপথে কক্সবাজার পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতারা স্বাগত জানান।
আরও পড়ুন: বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, ইউএইর সঙ্গে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগোচ্ছে
সফরের শুরুতে তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক পথসভায় স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে বক্তব্যও দেন।
পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে মালুমঘাট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গিয়ে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং প্রতীকীভাবে গাছের চারা রোপণ করেন।
এরপর পেকুয়া উপজেলায় গিয়ে জুলাই আন্দোলনের শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করেন। সেখানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের হাতে ২০ লাখ টাকার পরিবার সঞ্চয়পত্র হস্তান্তর করেন।
পেকুয়া সফরকালে তিনি পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। একই সঙ্গে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা ও থানা প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তরও উন্মোচন করেন।
সফরজুড়ে বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় জনগণ, দলীয় নেতাকর্মী এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কক্সবাজার জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো সার্বিক নিরাপত্তা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করে।





