আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন বিএনপির প্রতিনিধি মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ

Any Akter
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২:১০ অপরাহ্ন, ২২ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৪:৩৪ অপরাহ্ন, ২২ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজ (আইসিএপিপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিনিধি মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ। রোববার (২২ জুন) আইসিএপিপির মহাসচিব এক ই-মেইল বার্তায় এ মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের পক্ষ থেকে আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহর নাম প্রস্তাব করেন।

আগামী ২৫ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটরে অনুষ্ঠিত হবে আইসিএপিপির ৪৫তম স্থায়ী কমিটির সভা। এতে বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেবেন মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।

আরও পড়ুন: ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সভায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক সহযোগিতা, রাজনৈতিক সংলাপ, গণতন্ত্র, সুশাসন, উন্নয়ন এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করবেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এর আগে ২০০৪-২০০৫ সালে দলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত আব্দুল্লাহ আল নোমান এবং ২০০৬-২০০৯ সালে বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আরও পড়ুন: আইটি-সেমিকন্ডাক্টর ও শ্রমবাজারে সহযোগিতা বাড়ানোর আশাবাদ তারেক রহমানের

দলটির নেতাকর্মীদের মতে, মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহর এই মনোনয়ন বিএনপির আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও কূটনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। এর মাধ্যমে এশিয়ার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগ, সহযোগিতা এবং বহুপাক্ষিক সংলাপে অংশগ্রহণের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, আইসিএপিপি (International Conference of Asian Political Parties) ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এশিয়ার রাজনৈতিক দলগুলোর একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম। সংগঠনটির মূল লক্ষ্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ, সহযোগিতা, পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি করা এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা রাখা।