সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আরেক সুখবর

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:২২ অপরাহ্ন, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৫:০১ পূর্বাহ্ন, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

নতুন জাতীয় পে-স্কেলের পর সরকারি চাকরিজীবীদের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) ও প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের (সিপিএফ) জমার বিপরীতে মুনাফার হার নির্ধারণ করেছে সরকার। ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য তহবিলের স্থিতি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা পাবেন সরকারি কর্মচারীরা। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অর্থবছরের শুরুতে জিপিএফের স্থিতি—

আরও পড়ুন: জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎসহ বিকল্প ব্যবস্থায় এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত: ১৩ শতাংশ মুনাফা

১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত: ১২ শতাংশ মুনাফা

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর ৫ দফা প্রস্তাব

৩০ লাখ টাকার বেশি: ১১ শতাংশ মুনাফা

অর্থবছরে পরবর্তী সময়ে যে অর্থ জমা হবে, সেই জমার ওপরও একই হারে মুনাফা প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ অর্থবছরের শুরুর স্থিতি যে শ্রেণিতে পড়বে, সংশ্লিষ্ট জমার ওপর ১৩, ১২ অথবা ১১ শতাংশ হারে মুনাফা দেওয়া হবে।

সিপিএফভুক্তদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্

স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, করপোরেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিপিএফভুক্ত কর্মীদের ক্ষেত্রেও মুনাফার হার নির্ধারণের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিজস্ব আর্থিক বিধিবিধান অনুযায়ী মুনাফার হার নির্ধারণ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত হারকে সর্বোচ্চ সীমা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

জিপিএফ ও সিপিএফ কী?

জিপিএফ (সাধারণ ভবিষ্য তহবিল) হলো সরকারি কর্মচারীদের ভবিষ্যতের জন্য গঠিত একটি তহবিল। নিয়ম অনুযায়ী কর্মচারীরা বেতন থেকে নির্দিষ্ট অর্থ এতে জমা রাখেন। অন্যদিকে, সিপিএফ (প্রদেয় ভবিষ্য তহবিল) সাধারণত এমন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় চালু থাকে, যেখানে প্রচলিত সরকারি পেনশনব্যবস্থা নেই।

অর্থ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন নির্ধারিত মুনাফার হার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের পুরো সময়ের জন্য কার্যকর থাকবে।

নতুন পে-স্কেলও কার্যকর

এর আগে সরকার নতুন জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। নতুন বেতন কাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত—

প্রথম থেকে নবম গ্রেড: নতুন মূল বেতনের ৪০ শতাংশ, দশম থেকে ২০তম গ্রেড: নতুন মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে বর্ধিত বেতন দেওয়ার কথা রয়েছে।

পরবর্তী সময়ে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত—

প্রথম থেকে নবম গ্রেড: ৭০ শতাংশ, দশম থেকে ২০তম গ্রেড: ৭৫ শতাংশ হারে বর্ধিত বেতন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। নতুন পে-স্কেলের বাকি অংশ ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।