সাভারে তারেক রহমানকে বরণে নেতাকর্মীদের ঢল

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:০৩ অপরাহ্ন, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ৯:০৩ অপরাহ্ন, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরার পর দ্বিতীয় দিনে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর আগমনকে ঘিরে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেল থেকেই স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় লাখো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখতে ও স্বাগত জানাতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নবীনগর থেকে শুরু করে জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটক পর্যন্ত জনারণ্যে পরিণত হয়েছে পুরো এলাকা। সরেজমিনে দেখা যায়, হাতে ব্যানার, ফেস্টুন, জাতীয় ও দলীয় পতাকা নিয়ে খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে নেতাকর্মীরা স্মৃতিসৌধ এলাকায় জড়ো হচ্ছেন। ‘তারেক রহমান বীরের বেশে, ফিরলেন এবার বাংলাদেশে’—এমন নানা স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

আরও পড়ুন: নারীদের এনজিও ঋণের দায়িত্ব নেবে সরকার: মির্জা ফখরুল

নেতাকর্মীদের এই বিপুল ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের। জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান, দুপুরের পর থেকেই সাভার, ধামরাই ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীরা এসে জমায়েত হতে শুরু করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার দেশে ফেরার পর রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত বিশাল সংবর্ধনায় যোগ দেন তারেক রহমান। পরে তিনি অসুস্থ মা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যান। শুক্রবার বিকেলে শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত শেষে সেখান থেকেই সরাসরি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশ্যে রওনা হন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

আরও পড়ুন: যারাই বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে, তাদের ‘গুপ্ত’ বলবেন: তারেক রহমান

তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সাভার এলাকায় অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীরা বলছেন, দিনটি তাদের কাছে এক ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ। ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান অভি বলেন, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।

শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারেক রহমান স্মৃতিসৌধ চত্বরে সংক্ষিপ্ত কোনো দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন কি না, সে অপেক্ষায় রয়েছেন সেখানে সমবেত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।