‘মানুষ মারার পরামর্শদাতারা কীভাবে সাংবাদিক হয়’

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:৫৫ অপরাহ্ন, ১৬ জুন ২০২৫ | আপডেট: ৯:৫৩ অপরাহ্ন, ০২ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, যারা মানুষ মেরে ফেলার পরামর্শ দেয় তারা কীভাবে সাংবাদিক হয়। এখনো কীভাবে তারা মিডিয়াতে কতৃত্ববজায় রেখেছে। কারণ তাদের মূল প্রতিষ্ঠাতা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে।

সোমবার (১৬ জুন) দুপুরে সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: হেমায়েতপুরে সড়ক-ফুটপাত দখল: নিত্যদিনের যানজট, বাড়ছে জনদুর্ভোগ

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) এ আলোচনা সভার আয়োজন করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহীদুল ইসলাম।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলমের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠের সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, নিউ নেশনের সাবেক সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খায়রুল বাশার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ সভাপতি ও ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসিন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহকারি মহাসচিব বাসির জামাল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খন্দকার হাসনাত করিম পিন্টু, আব্দুল আওয়াল ঠাকুর, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রাশেদুল হক ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খান।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরগঞ্জে ধান কেটে ফেরার পথে হামলা: আহত ১০

এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, গণতন্ত্র-স্বাধীনতা ও আওয়ামী লীগ এক সঙ্গে সঙ্গে চলেন।

মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও আওয়ামী লীগ একসঙ্গে চলে না। কারন তারা যতোবারই রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়েছে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, গণতন্তকে হরন করেছে।  

তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় কিছু সাংবাদিক মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না ব্যক্তিগত ভাগ্য উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করেছে। এ কারণে কারো কারো ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শত কোটি টাকা লেনদেন হয়। আবার দেশের বাইরে অনেকে বাড়ি করেছেন।  

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, ৫০ বছর পরও কেন আমরা সংবাদপত্রের কালো দিবস নিয়ে আলোচনা করি। কারণ সংবাদপত্রের ইতিহাসে এমন দিন আর কখনো আসেনি। সেদিন রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকে সংবাদপত্রের গলা চেপে ধরা হয়। সদ্য স্বাধীন হওয়া একটি দেশের সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে বেইমানি করে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার নামে যখন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গুম, খুন, ব্যাংক লুটের ঘটনা ঘটাচ্ছিলো তখন তা পত্রিকায় আসার কারণে সব পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান গণমাধ্যমের প্রতি যে নিপীড়ন চালিয়েছেন সেটা দুনিয়ার ইতিহাসে আর কোথাও হয়নি। আমরা চাই একটি মানবিক। যেখানে কোনো গুম, খুন, হত্যা, মামলা নির্যাতন থাকবে না।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠের সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ বলেন, বাকশালের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকেও শেখ মুজিব বিলীন করে দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগকে মুক্ত করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। মিডিয়াকে অস্থিতিশীল করার জন্য দেশে এবং দেশের বাইরে চক্রান্ত চালানো হচ্ছে। সে কারণে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মিডিয়াকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত হয় সেজন্য আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।