তেঁতুলিয়ায় শীতের তীব্রতা বাড়ছে, শৈতপ্রবাহের আভাস

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, ২৬ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় শীতের তীব্রতা দিন দিন আরও বেড়েই চলেছে। সকালে বয়ে যাওয়া শীতল হাওয়া ও বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা মানুষের দেহে কাঁপুনি ধরিয়ে দিচ্ছে। রাতের দিকে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠায় ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয়রা। আবহাওয়া অফিস জানায়, ডিসেম্বরের শুরুতেই এলাকায় শৈতপ্রবাহ বইতে পারে।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) ভোর ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।

আরও পড়ুন: গোবিন্দগঞ্জে শিংজানি খাল খনন কাজের উদ্বোধন করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

এর আগের দিন মঙ্গলবার তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি মৌসুমের অন্যতম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সোমবারও তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ধারাবাহিকভাবে তাপমাত্রা কমতে থাকায় শীতের অনুভূতি আরও বাড়ছে।

ময়দানদিঘীর ব্যবসায়ী মখলেছার রহমান বলেন, ভোরে দোকান খুলতেই হাত-পা জমে যায়। ঠান্ডা বাতাস এতটাই প্রবল যে মানুষও সকালে কম বের হয়। ব্যবসাতেও প্রভাব পড়ছে।

আরও পড়ুন: তরুণদের অনুপ্রেরণায় সম্মাননা, হাফসা ইসলাম মোহকে সংবর্ধনা দিল সাদমান টিপু ফুটবল একাডেমি

চাকলাহাট এলাকার কলেজছাত্রী ইশরাত জাহান জানান, সকালে কলেজে বের হওয়াই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। ঘর থেকে বের হলেই মনে হয় বরফ ঠান্ডা বাতাস শরীরে লাগছে। আমাদের এখানে শীত সবসময় একটু বেশি থাকে।

রিকশাচালক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ভোরে যাত্রী কম থাকে। ঠান্ডায় কেউ বের হতে চায় না। তারপরও পরিবারের জন্য কাজ করতে হয়। তাই মোটা কাপড় পরে রিকশা চালাই।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, এলাকায় শীত নামতে শুরু করেছে। ডিসেম্বরের শুরুতে শীত আরও বৃদ্ধি পাবে এবং শৈতপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে।