ইউল্যাবে প্রত্ননিদর্শনের আলোকচিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন
রাজশাহীর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের সংগ্রহ থেকে বাছাই করা ২৫টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের আলোকচিত্র নিয়ে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)। ‘আ হিস্ট্রি অফ বাংলাদেশ ইন ২৫ অবজেক্টস’ শিরোনামের প্রদর্শনীটি মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) ইউল্যাব ক্যাম্পাসে উদ্বোধন করা হয়। প্রদর্শনীটি আগামী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
বাংলাদেশের এক লাখ বছরেরও বেশি সময়ের সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে ইউল্যাবের জেনারেল এডুকেশন বিভাগ ও সেন্টার ফর আর্কিওলজিক্যাল স্টাডিজের যৌথ উদ্যোগে এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, যুক্তরাজ্যের ডার্যাম ইউনিভার্সিটির ইউনেস্কো চেয়ার অন আর্কিওলজিক্যাল ইথিক্স অ্যান্ড প্র্যাকটিস ইন কালচারাল হেরিটেজ এবং ইউল্যাব যৌথভাবে আয়োজন করেছে এটি। পুরো আয়োজনকে সহযোগিতা করছে কালচারাল প্রটেকশন ফান্ড, যা ব্রিটিশ কাউন্সিল ও যুক্তরাজ্য সরকারের ডিসিএমএস–এর সঙ্গে অংশীদারিত্বে পরিচালিত।
আরও পড়ুন: আপিলও খারিজ, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচন করতে পারবেন না
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউল্যাবের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক মিলন কুমার ভট্টাচার্য। ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ডেপুটি ডিরেক্টর মারিয়া রেহমান বলেন, কালচারাল প্রটেকশন ফান্ড এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী প্রায় ৯,৫০০টি পুরাকীর্তি ও আর্কাইভ পুনরুদ্ধার করেছে এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ১৫৯টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। বাংলাদেশে এ উদ্যোগ প্রথমবার বাস্তবায়িত হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের পরিচালক অধ্যাপক কাজী মোস্তাফিজুর রহমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ক্যাপাসিটি স্ট্রেংথেনিং ট্রেনিং প্রোগ্রামের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। ইউনেস্কো চেয়ার অধ্যাপক রবিন কনিংহ্যাম ‘ব্রেকিং দ্য মিথ: এনগেজিং মিউজিয়াম প্রফেশনালস অ্যান্ড কমিউনিটি’ শীর্ষক একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
আরও পড়ুন: হান্নান মাসউদের পথসভায় ইট নিক্ষেপ, আহত ২
শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউল্যাব জেনারেল এডুকেশন বিভাগের প্রধান ও সেন্টার ফর আর্কিওলজিক্যাল স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক শাহনাজ হুসনে জাহান। অনুষ্ঠানে দেশের প্রত্নতত্ত্ববিদ, ইতিহাসবিদ, জাদুঘর–পেশাজীবীসহ ইউল্যাবের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এই প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের সামনে বাংলাদেশের বহু সহস্র বছরের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার এক অনন্য সুযোগ তৈরি করেছে।





