লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে যুবদল নেতা হত্যার প্রধান আসামি আরমান গ্রেপ্তার
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে যুবদল নেতা বেলাল হোসেন মিশোরী (৪৮) হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরমানকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। গ্রেপ্তারকৃত আরমান রায়পুর উপজেলার দেনায়েতপুর গ্রামের মো. শাহ আলমের ছেলে। নিহত বেলাল রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ছিলেন।
সোমবার (৯ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু।
আরও পড়ুন: ঈশ্বরগঞ্জে ধান কেটে ফেরার পথে হামলা: আহত ১০
এর আগে রোববার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালী ক্যাম্পের একটি বিশেষ অভিযানে ঢাকার কদমতলী থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু জানান, গত ৫ মার্চ রায়পুর পৌর শহরের সাব-রেজিস্ট্রার মসজিদের বিপরীতে একটি ফলের আড়তের সামনে রিকশা দাঁড় করানো নিয়ে আসামি ও অন্য একজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
আরও পড়ুন: আজিমের গার্মেন্টসের বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ
এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত যুবদল নেতা বেলাল হোসেন মিশোরী দুই পক্ষকে শান্ত করতে এবং বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। এতে অভিযুক্ত আরমান হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি বেলাল হোসেন মিশোরীর বুকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারলে বেলাল গুরুতর আহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর অভিযুক্ত আরমান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে রায়পুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় আরমানকে প্রধান আসামি করা হয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে র্যাব-১১। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার কদমতলী এলাকা থেকে আরমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।





