নরসিংদীতে দু'পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় এপর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে। মেঘনা নদী থেকে টেঁটাবিদ্ধ ও পুলিশের ভেস্ট পরিহিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের গুলিতে ঘটনাস্থলেই দঁড়িগাও পূর্বপাড়া গ্রামের ওসমান মেম্বারের ছেলে অনিক (২০) নিহত হন। এরপর ১৭ জুন বুধবার বিকেলে মাধবদী থানাধীন চরদিঘলদী ইউনিয়নের জিতরামপুর-শ্রীনগর খেয়াঘাট (মেঘনা নদী) পার হতে টেঁটাবিদ্ধ অবস্থায় কাউসার (৩২) নামে এক প্রবাসীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এসময় তার মরদেহে বেশ কয়েকটি টেঁটাবিদ্ধ ছিল। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে নিলক্ষা ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রাম থেকে বীরগাঁও কান্দাপাড়া গ্রামের শহীদ মিয়ার ছেলে আব্দুল লতিফকে (৩৫) বুলেটপ্রুফ ভেস্ট পরিহিত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা। অপরদিকে স্থানীয়দের মাঝে নিহতের সংখ্যা নিয়ে ধুম্রজাল থাকলেও পুলিশ তিনজনের কথা স্বীকার করেছেন।
আরও পড়ুন: শেরপুরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৩৩ টন চাল জব্দ
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ১৬ জুন সকালে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নাজিম উদ্দিন মেম্বার ও আলাল মুন্সী গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এসময় উভয় পক্ষই আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এবিষয়ে রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান জানান, নিলক্ষার ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামের বাড়ির পাশে মেঘনা নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে পুলিশ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
আরও পড়ুন: চিরকুট পড়েছিল টেবিলে, মরদেহ ঝুলছিল সিলিং ফ্যানে
এদিকে পুরো এলাকা থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে পুরো এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা করেছে।





