নরসিংদীতে অগ্নিসংযোগ-লুটপাটের ঘটনায় বিচার না হওয়ায় মানববন্ধন
নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদীর খৈনমুদ্দি এলাকায় পূর্ববিরোধের জেরে একাধিক বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মামলা দায়েরের তিন মাস পেরিয়ে গেলেও বিচার না হওয়ায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
রবিবার (৫ জুলাই) সকালে নরসিংদী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।
আরও পড়ুন: রুহুল কবির রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করায় গাজীপুরে যুবদলের আনন্দ মিছিল
অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় ভুক্তভোগী লায়লা বেগম (৪০) বাদী হয়ে সেলিম, ফারুক, জাইদুল, আপন, শুভ, কোহিনুর, সানজিদা ও আকাশসহ ১০০-১৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাদীর বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় আসামিরা ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫ লাখ টাকা লুট করে। পরে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন দিয়ে বসতঘর পুড়িয়ে দেয়। এতে ভুক্তভোগীর প্রায় ৭০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়। এতে বাদীর মেয়ে ফারজানা আক্তার বাধা দিতে গেলে তাকেও জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এ ঘটনায় উল্লেখিত আসামিরা পাশের বাড়ির খালেদা বেগম ও আবু ছিদ্দিকের বাড়িতেও হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে।
আরও পড়ুন: কেবল অবকাঠামো নয়, পাহাড়ে মানবসম্পদ উন্নয়নই আসল: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন
মানববন্ধনে বাদী অভিযোগ করে বলেন, মামলা দায়েরের পর থেকে আসামিরা আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। বর্তমানে সন্ত্রাসীদের ভয়ে বাদী ও তার পরিবার বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করছেন।
এ বিষয়ে উপস্থিত বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, মামলার ১ নম্বর আসামি মাধবদী পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পদ ব্যবহার করে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ গড়ে তুলে এলাকায় ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী মো. আল আমিন, আসিব মিয়া, আমির হুসেন, লায়লা বেগম প্রমুখ।





