বন্দরের উন্নয়ন ও বিনিয়োগে নজর

মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৩১ অপরাহ্ন, ২২ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৪:৫৯ অপরাহ্ন, ২২ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে খুলনার দাকোপ হয়ে মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে তিনি বানৌজা মোংলায় পৌঁছান। তাঁর সফরসূচিতে রয়েছে মোংলা বন্দরের জেটি ও প্রস্তাবিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টার থেকে হিরণ পয়েন্টসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাঁকে বহনকারী হেলিকপ্টার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে। সেখান থেকে নলিয়ান লঞ্চঘাট হয়ে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে রওনা হন তিনি।

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় সাবেক এমপি এএনএম ইউছুফের মৃত্যুবার্ষিকী পালন

প্রধানমন্ত্রীর দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী, মধ্যাহ্নবিরতির পর ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। এরপর বিকেল ৩টায় মোংলা বন্দরের জেটি পরিদর্শন এবং সোয়া ৩টার দিকে প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্দেশে যাত্রার কথা রয়েছে। বিকেল সাড়ে ৩টায় ওই অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কর্মসূচি নির্ধারিত রয়েছে।

এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৯টায় বিমানবন্দরে পৌঁছে হেলিকপ্টারে সুন্দরবনের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। কর্মসূচি শেষে বৃহস্পতিবারই তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন: বোরকা পরে হামলা করতে গিয়ে নিজেই খুন

বন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে প্রত্যাশা

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ নিয়ে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তাঁদের আশা, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো, প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়ন এবং এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ এগিয়ে গেলে এ অঞ্চলের অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।

স্থানীয়দের মতে, মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করা জরুরি। একই সঙ্গে সুন্দরবন-সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ।

তাঁদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে গতি আসবে। এর ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ার পাশাপাশি নতুন শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।