রাজধানীর খিলক্ষেতে টেন্ডার জমাকে কেন্দ্র করে হট্টগোল

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারকে মারধর, টাকা ও নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:৫০ অপরাহ্ন, ১২ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৯:০৪ অপরাহ্ন, ১২ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় টেন্ডার জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারকে মারধর, নগদ অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ছিনিয়ে নেওয়া এবং পরে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় খিলক্ষেত থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, জে আর এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মোঃ মনিরুল ইসলাম (৫৫), পিতা মৃত নুর মোহাম্মদ, মিরপুর-২ এলাকায় বসবাস করেন। গত ১০ জুন সকাল আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে তিনি টেন্ডার সংক্রান্ত কাজে খিলক্ষেত এলাকার একটি অফিসে যান।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে ৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টি, তাপমাত্রা কমল অনেকটা

ভুক্তভোগীর দাবি অনুযায়ী, পূর্বপরিকল্পিতভাবে মোঃ তুষার, হাবিব, বাবু, লিমনসহ আরও ৪-৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে বাধা দেন। এক পর্যায়ে তারা টেন্ডার সিডিউল, পে অর্ডারসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেন এবং তার কাছে থাকা নগদ ৫০ হাজার টাকাও নিয়ে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাধা দেওয়ার সময় অর্থ ও নথিপত্র ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। পরে তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়ি সার্ভিসিং সেন্টারের ভেতরে নিয়ে গিয়ে আটক রাখা হয় বলেও দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: এবার অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে চুরি

এ সময় তার গাড়িচালক সাদ্দাম হোসেনকেও মারধর করা হয় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও গাড়ির চাবি ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

ঘটনার পর প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তার মাধ্যমে বিষয়টি খিলক্ষেত থানায় জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

পরবর্তীতে আহত অবস্থায় মনিরুল ইসলাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। পরে তিনি খিলক্ষেত থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে খিলক্ষেত থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।