সুন্দর নির্বাচন শেষে আত্মতৃপ্তির ঈদ : ইসি আনোয়ারুল ইসলাম

Any Akter
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৩:১৩ অপরাহ্ন, ২৪ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৫:২১ অপরাহ্ন, ২৪ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন করার পর এবারের ঈদুল ফিতরকে নিজের জীবনের অন্যতম সেরা ঈদ হিসেবে অভিহিত করেছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন জাতিকে উপহার দেওয়ার পর সবার সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করা তার জন্য ছিল গভীর আত্মতৃপ্তির উপলক্ষ। 

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ঈদ-পরবর্তী পুনর্মিলনী সভায় এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

আরও পড়ুন: ভোটে নারীর উপস্থিতি বাড়লেও প্রার্থী কম, হতাশা ইসির

তিনি বলেন, “এবারের ঈদটি ছিল আমার জীবনের অন্যতম সেরা একটি ঈদ। জাতিকে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার পর, সবার সঙ্গে মিলিত হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করতে পেরে আমি সত্যিই তৃপ্ত।”

সভায় তিনি ঈদের ছুটিকে ঘিরে নিজের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং সামগ্রিক উৎসবমুখর পরিবেশ ও সামাজিক সম্প্রীতির প্রশংসা করেন।

আরও পড়ুন: ভোট কারচুপির অভিযোগে অন্তত ৩৬ প্রার্থীর নির্বাচনী আবেদন

পুনর্মিলনী সভায় নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এবং অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজসহ কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

ঈদের টানা সাত দিনের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরে কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পুনর্মিলনী সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, নির্বাচন কমিশন শিগগিরই ইসি বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবে।

এ সময় নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)-এর নেতাদের সঙ্গেও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সার্বিকভাবে, ঈদ-পরবর্তী এই পুনর্মিলনী সভা নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য আরও জোরদার করতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।