ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ৮ মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংস

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৪১ অপরাহ্ন, ২৮ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১২:৪১ অপরাহ্ন, ২৮ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের আটটি মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)। সংস্থাটি বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ সামরিক অভিযানের ‘চূড়ান্ত জবাব’ হিসেবেই এ হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, শনিবার দিবাগত রাতে ইরানের সিরিক শহর ও কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর পাল্টা এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আরও পড়ুন: ইরানের পাল্টা হামলায় বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে: আইআরজিসি

এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, তাদের নৌবাহিনী ও মহাকাশ বাহিনী যৌথভাবে অভিযানটি পরিচালনা করেছে। এতে কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি, বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর সহ মধ্যপ্রাচ্যের আটটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে আইআরজিসি। তাদের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পাঁচটি উপকূলীয় চৌকিতে হামলা চালিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালিতে আইআরজিসির একটি নৌযানের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের জবাব হিসেবে ওই হামলার দাবি করেছে।

আরও পড়ুন: ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলা, নিহত ৫

আইআরজিসি আরও জানায়, সম্প্রতি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকের আওতায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সামুদ্রিক নৌযানের তদারকির দায়িত্ব ইরানের ওপর ন্যস্ত রয়েছে।

বিবৃতিতে ভবিষ্যতে আরও কঠোর অবস্থানেরও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। আইআরজিসি বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে নিয়ম লঙ্ঘনকারী যেকোনো নৌযানের বিরুদ্ধে আগের তুলনায় আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেকোনো নতুন আগ্রাসনের জবাব ‘অত্যন্ত কঠোর ও বিধ্বংসী’ হবে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।