ড. এমএ কাইয়ুমের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ, নাহিদ ইসলামের হাইকোর্টে রিট
দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে ঢাকা-১১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এমএ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন একই আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়। রিটে ড. এমএ কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে।
নাহিদ ইসলামের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা জানান, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই হাইকোর্টে রিটটির ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে। এর আগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এমএ কাইয়ুম এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাহিদ ইসলামের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনা ১০, টিউলিপ ৪, রাদওয়ান ও আজমিনার ৭ বছর কারাদণ্ড
এদিকে ড. এমএ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ রিপাবলিক অব ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং সেখানে সম্পত্তি থাকার অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন তিনি।
গত ১৯ জানুয়ারি দেওয়া এক বিবৃতিতে ড. এমএ কাইয়ুম বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়ানো হয়েছে যে তিনি ভানুয়াতুর নাগরিক এবং সেখানে তার বাড়ি বা বিনিয়োগ রয়েছে। বাস্তবে এসব তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই। তিনি কখনো ভানুয়াতুতে যাননি এবং অন্য কোনো দেশের দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের কোনো ইচ্ছাও তার ছিল না বলে দাবি করেন।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনা–শেখ রেহানা ও টিউলিপ সিদ্দিকসহ ১৮ আসামির রায় আজ
ভাইরাল হওয়া কথিত পাসপোর্ট বা নথি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ডকুমেন্টগুলোর সাক্ষর তার প্রকৃত সাক্ষরের সঙ্গে মিলছে না। এগুলো সম্পূর্ণ জাল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
নির্বাচনী প্রেক্ষাপট নিয়ে ড. এমএ কাইয়ুম অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে কখনো তাকে ভানুয়াতুর বড় বিনিয়োগকারী, কখনো সেখানে সম্পত্তির মালিক হিসেবে তুলে ধরে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বাস্তবে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি সবসময় সত্য যাচাইয়ের পক্ষে এবং অপপ্রচারের বিপক্ষে অবস্থান নেন। নির্বাচিত হলে রাজনীতিতে মিথ্যাচার বন্ধের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে কাজ করবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, এর আগের দিন রোববার কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বহাল রাখেননি আপিল বিভাগ। ফলে তিনি ওই আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। সেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ।





