দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সীমান্তে ১৮টি বেস ক্যাম্প স্থাপন করবে বিজিবি

Shahrier Islam Pallab
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:৪৭ অপরাহ্ন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৫:৪৭ অপরাহ্ন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৮টি বেস ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত প্রায় ১ হাজার ৮০০টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে বাহিনীটি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী রমনা কালীমন্দির পরিদর্শন শেষে এসব তথ্য জানান বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

আরও পড়ুন: দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার নাম দেশের জন্য লজ্জার: প্রধানমন্ত্রী

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিরাপত্তা সমন্বয় নিশ্চিত করতে তিনি মন্দিরটি পরিদর্শন করেন। এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান তিনি এবং রমনা কালীমন্দির সর্বজনীন পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি ও অন্য সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিজিবি। সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলো ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিটের সদস্যরা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। পাশাপাশি পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: অনির্দিষ্টকালের জন্য উত্তরার ৫ পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা

তিনি আরও জানান, বিজিবির বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) থেকে দূরে অবস্থিত সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করতে ১৮টি বেস ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া বিজিবির সদর দপ্তর, রিজিয়ন, সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের আশপাশের পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা কার্যক্রম তদারকি ও দ্রুত সমন্বয়ের জন্য বিজিবি সদর দপ্তরে সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু করা হয়েছে বলেও জানান মহাপরিচালক। তিনি বলেন, ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’-এর মাধ্যমে যেকোনো সমস্যা বা জরুরি পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্টরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে।

মহাপরিচালক বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে তথ্য সংগ্রহ, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। বিজিবি সদস্যরা পেশাদারত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন, যাতে সারা দেশে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপিত হতে পারে।

পরিদর্শনকালে বিজিবি সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস অ্যান্ড ট্রেনিং), ঢাকা সেক্টর কমান্ডারসহ বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।