কৃষি কাজের মূল্য বৃদ্ধি: সারের পর ডিজেলের দাম বাড়ায় হিমশিমে কৃষক
ডিজেল ও ইউরিয়া সারের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে ফসল উৎপাদনের ওপর। একদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় ট্রাক্টর দিয়ে কৃষকের জমি চাষে খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ইউরিয়া সারের দাম বাড়ায় সার কেনার ঘর খরচ বেড়েছ কৃষকের। এ অবস্থায় কৃষক জমি চাষ করে ফসল উৎপাদনে হিমশিম খাচ্ছেন। কৃষি অফিসও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে কৃষকেরা ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করছে।
জানা গেছে, ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় আগে ১০ শতাংশ (এক কাঠা) জমি তিন চাষে ২৫০ টাকা নেওয়া হতো। যেখানে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে ৮০ টাকা থেকে ৩৪ টাকা বাড়িয়ে ১১৪ টাকা লিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন গুণতে হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা। মঞ্জুরুল হক নামের একজন কৃষক বলেন, কৃষি মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন কৃষকেরা নাকি সার অবচয় করে। সে জন্য সারের দাম বাড়ানো হয়েছে। এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন কৃষকরা কৃষি কাজে যতটুকু সার প্রয়োজন সেটাই দেওয়া হয়। জমিতে বেশি সার দেওয়া হলে জমিতে ফসল হবে না।
আরও পড়ুন: হান্নান মাসউদের পথসভায় ইট নিক্ষেপ, আহত ২
'বর্তমানে দেশে যে অবস্থা কৃষকদের বাঁচতে দেবে না। কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত সব জিনিসের দাম বেড়ে যাচ্ছে। ধানের দাম তো বাড়ানো হয়নি। এভাবে সব জিনিসের দাম বাড়তে তো কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জমি চাষে এখন বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।
মজিবুর রহমান নামের একজন ট্রাক্টরচালক বলেন, 'তেলের দাম বাড়াইছে ; এখন তো আমাদের কোনো কিছু করার নেই। এহন বেশি দামে তেল কিনি হালচাষে বেশি টাকা নিচ্ছি।
আরও পড়ুন: সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ২
' নান্দাইল উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে কৃষকেরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। যে হারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে, ট্রাক্টর মালিকেরা সে অনুপাতে সহনীয় পর্যায়ে দাম নিতে হবে। যাতে কৃষক বেঁচে থাকতে পারে। ”





