টাঙ্গাইলে পুলিশের চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী বিশেষ মহড়া
টাঙ্গাইলে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, অবৈধ দখলদারিত্ব ও মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকারের নির্দেশক্রমে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মাঠে নামে পুলিশ বাহিনীর একটি বিশেষ টিম। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (টাঙ্গাইল সদর সার্কেল) এইচ. এম. মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী এবং টাঙ্গাইল ডিবি (উত্তর)-এর অফিসার ইনচার্জ এ. বি. এম. এস. দোহা (বিপিএম)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে টাঙ্গাইল সদরের পার্কের বাজার, পাঁচ আনি ও ছয় আনি বাজার, ভিক্টোরিয়া রোড, নতুন বাসস্ট্যান্ড ও পুরান বাসস্ট্যান্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক এলাকায় হ্যান্ড মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতামূলক বার্তা প্রদান করা হয়।
আরও পড়ুন: আরিফা জেসমিনকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে চায় এলাকাবাসী
দিনব্যাপী এ মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ভিক্টর ব্যানার্জি, টাঙ্গাইল সদর থানার সেকেন্ড অফিসার রাফিউল করিম, ডিবি (উত্তর) ও ডিবি (দক্ষিণ) টাঙ্গাইলের অন্যান্য কর্মকর্তা ও ফোর্স সদস্যরা। সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন।
চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, অবৈধ দখলদারিত্ব ও মাদকসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য জানাতে জনসাধারণকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ কন্ট্রোল রুম, টাঙ্গাইল (০১৩২০০৯৭২৯৮), টাঙ্গাইল সদর থানা অথবা ডিবি, টাঙ্গাইলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: উলিপুর উপজেলার পান্ডুল ইউনিয়নে অবৈধভাবে খাস জমি থেকে মাটি উত্তোলন
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ দমন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের বিশেষ মহড়া ও অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদক প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টিম মাঠে সক্রিয় রয়েছে। কেউ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকলে কিংবা এমন তথ্য পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আইজিপি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে পুলিশের সব ইউনিট প্রধান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল সভায় এ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রদান করা হয়।





