আশুলিয়ায় ইউপি মেম্বারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, গাড়ি ভাঙচুর
আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নে প্রকাশ্য দিবালোকে এক ইউপি সদস্যের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ভাঙচুর করা হয়েছে তার ব্যবহৃত গাড়ি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় নিয়োগ পরীক্ষায় সকল প্রার্থীই বাদ
আহত ইউপি সদস্য হলেন ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ড সদস্য ও গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান মমতাজ উদ্দিন মোন্তাজ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পরিষদে উপস্থিত হন মমতাজ উদ্দিন মোন্তাজ। এ সময় হঠাৎ করে জহির গ্রুপের ১৫ থেকে ২০ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পরিষদের ভেতরে ঢুকে তাকে লক্ষ্য করে কয়েক দফা অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা তার ব্যবহৃত টয়োটা রানএক্স গাড়িটি ভাঙচুর করে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ ২২
হামলার পরপরই পরিষদ প্রাঙ্গণে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন জহিরুল ইসলাম জহির, আবু তাহের, আলিম, আজাহার, মামুন, নাসির, সাইফুল, লিটন, বিল্লাল, সাইদুরসহ অজ্ঞাত আরও বেশ কয়েকজন।
এ বিষয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আশুলিয়া থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক লিটন মণ্ডল বলেন,
কয়েকদিন আগে মোন্তাজ মেম্বারের নেতৃত্বে আমরা এলাকায় মাদকবিরোধী মিছিল করেছিলাম। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জহির তার লোকজন নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমরা কোনোমতে সরে যেতে পারলেও মেম্বারের গাড়িটি ভেঙে ফেলা হয়।
হামলার পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে মমতাজ উদ্দিন মোন্তাজ বলেন,মাদক ব্যবসায়ী ও চিহ্নিত সন্ত্রাসী জহির দীর্ঘদিন ধরে সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর মিয়ার ছত্রছায়ায় এলাকায় মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজি চালিয়ে আসছে। আমরা মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলাম বলেই আজ এই হামলা।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রুবেল হাওলাদার বলেন,ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রকাশ্য দিবালোকে ইউনিয়ন পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ ধরনের হামলা প্রশাসনের জন্য উদ্বেগজনক। দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার না হলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।





