যুব ও ক্রীড়া সচিবের উপস্থিতিতে ‘শান্তির জন্য মার্শাল আর্টস’ সেমিনার
বাংলাদেশ ইউনিভার্সাল হেলথ সায়েন্সেস (BUHS)-এর অ্যাকাডেমিক অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের আয়োজনে ও ওয়ার্ল্ড তায়কোয়ানডো মার্শাল ফেডারেশন (WTMF)-এর সহযোগিতায় ‘শান্তির জন্য মার্শাল আর্টস’ শীর্ষক একটি জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সেমিনারের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আমিন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার যুবসমাজের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ক্ষমতা রাখে। এই পরিকল্পনার আওতায় মন্ত্রণালয় দেশব্যাপী মানসিকতা, নাগরিক দায়িত্ববোধ এবং আত্মনির্ভরশীলতা সৃষ্টির জন্য একাত্মতা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পরিকল্পনা করছে।’
আরও পড়ুন: চাইনিজ ব্যবসায়ীর কোটি টাকা চুরি
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় WTMF-এর চেয়ারম্যান ড. চুং সিক ইয়ং বলেন, ‘আমাদের তরুণদের শুধু জ্ঞান বা প্রযুক্তিগত দক্ষতা শেখালেই চলবে না; জ্ঞান ও দক্ষতার পাশাপাশি আমাদের অবশ্যই চরিত্র, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং দায়িত্বশীলতা শেখাতে হবে। প্রকৃত মার্শাল আর্ট মানে হাত ও পায়ের ব্যবহার নয়, বরং অন্যদের জয় করার আগে নিজেকে জয় করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া।’
WTMF-এর এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারি-জেনারেল ড. ভিনাস আচার্য এবং WTMF-এর টেকনিক্যাল ডিরেক্টর অ্যাডভোকেট কৃষ্ণ অধিকারী ‘ফ্রম গ্রাউন্ড টু হায়ার’ প্রকল্পের বিভিন্ন মডিউলের কাঠামোর ওপর গভীর আলোকপাত করেন। বিভিন্ন কমিটি ও মডিউলের সমন্বয়ক ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. ওয়াহিদ ইসলাম।
আরও পড়ুন: ১৭ কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ ইজিবাইক আটক
ন্যাশনাল হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. মোতাহের রহমান মূল্যবোধভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের অর্থনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ তাইকোয়ানডো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা সব ডিসিপ্লিনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে মার্শাল আর্টকে শুধু ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হিসেবে না দেখে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করেন।
BUHS-এর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. জাহিদ হাসান পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো সহায়তার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন BUHS-এর অ্যাকাডেমিক অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. এম. এইচ. ফারুকী। সূচনা বিবরণ ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন ড. সাইকা নিজাম এবং অতিথিবৃন্দের পরিচয় করিয়ে দেন তাসনিম তাসনিয়া।
সেমিনারে তরুণদের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সুস্থ জাতীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে শারীরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সুদৃঢ় চারিত্রিক বিকাশের সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।





