ছা‌দ বাগান করলে কৃ‌ষি ঋণ মিল‌বে

বাংলাবাজার পত্রিকা রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২:২৩ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৩ | আপডেট: ৯:১৬ পূর্বাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৩
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভবনের ছাদে বাগান কর‌লে এখন থে‌কে গ্রাহক সহজ শ‌র্তে ও স্বল্প সু‌দে কৃ‌ষি ঋণ পা‌বেন।

রবিবার (৬ আগস্ট) নতুন অর্থবছরের জন্য কৃ‌ষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি আনুষ্ঠা‌নিকভা‌বে ঘোষণা ক‌রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ। নীতিমালায় ছাদকৃষিতে অর্থায়ন যুক্ত করা হ‌য়।‌

আরও পড়ুন: আবারও কমলো সোনার দাম

এ নীতিমালা ও কর্মসূচি ঘোষণা ক‌রেন বাংলা‌দেশ ব্যাং‌কের ডেপু‌টি গভর্নর এ কে এম সা‌জেদুর রহমান খান। 

এ সময় উপ‌স্থিত ছি‌লেন, কৃষি ঋণ বিভাগের প‌রিচালক কা‌নিজ ফা‌তেমা, প‌রিচালক দেবাশীষ সরকারসহ বি‌ভিন্ন বা‌ণি‌জ্যিক ব্যাং‌কের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা প‌রিচালকরা।

আরও পড়ুন: এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে তেলের মজুত সর্বনিম্ন

কৃ‌ষি ঋণ নীতিমালায় বলা হয়, ভবনের ছাদে বিভিন্ন কৃষি কাজ করা একটি নতুন ধারণা। বর্তমানে শহরাঞ্চলে যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মূলত বাড়ির ছাদে বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে ফুল, ফল ও শাক-সবজির যে বাগান গড়ে তোলা হয় তা ছাদবাগান হিসেবে পরিচিত।

‌কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, যাদের চাষের জন্য পর্যাপ্ত জমি নেই, কিন্তু নিজ হাতে কৃষি কাজ করতে ইচ্ছুক তাদের জন্য ছাদকৃষি একটি উত্তম বিকল্প ব্যবস্থা। শহরাঞ্চলে বাড়ির ছাদে বাগান সৃষ্টির মাধ্যমে পরিবারের দৈনন্দিন খাদ্যের চাহিদা অনেকাংশে পূরণ করা সম্ভব। পাশাপাশি ছাদ কৃষি পরিবেশ রক্ষা ও বায়ুদূষণ প্রতিরোধেও সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। 

এর প্রেক্ষিতে ছাদকৃষিতে অর্থায়নের জন্য ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হ‌য়ে‌ছে। এ খা‌তের ঋণ দেওয়ার জন্য গ্রাহ‌কের চা‌হিদা যাচাই-বাছাই ক‌রে ব্যাংক কত টাকা ঋণ দে‌বে এবং কিভা‌বে আদায় কর‌বে তা নির্ধারণ কর‌বে।

কেন্দ্রীয় ব্যাং‌কের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের বার্ষিক কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতর‌ণের লক্ষ্য ঠিক ক‌রে‌ছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। যা গত অর্থবছরের চেয়ে ১৩ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছর কৃষি ঋণের লক্ষ্য ছিল ৩০ হাজার ৮১১ কোটি টাকা।