সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু আজ

বাংলাবাজার পত্রিকা ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:১০ অপরাহ্ন, ০১ এপ্রিল ২০২৪ | আপডেট: ১১:২০ পূর্বাহ্ন, ১৮ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

প্রতিবছর ১ এপ্রিল থেকে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক চাকের খাঁটি মধু সংগ্রহের জন্য বন বিভাগ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মৌয়ালদের সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের পাস (অনুমতিপত্র) দেওয়া হয়। এজন্য আগেই নৌকা সাজানোর কাজ শেষ করেছেন সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার মৌয়ালরা।

সোমবার (১ এপ্রিল) সকালে পশ্চিম সুন্দরবন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও)  ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  

আরও পড়ুন: এক দশকে ১.৪ কোটি তরুণ শ্রমবাজারে, চাকরি পেয়েছে মাত্র ৮৭ লাখ: বিশ্বব্যাংকের সতর্কবার্তা

তিনি বলেন, সোমবার (১ এপ্রিল) থেকে মধু আহরণ মৌসুম শুরু হওয়ায় সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলের মৌয়ালরা মধু মহলে প্রবেশ করেছেন। বিভিন্ন ফরেস্ট স্টেশন থেকে অনুমতি নিয়ে বনে প্রবেশ করেছেন তারা। দেশের প্রাকৃতিক মধুর সবচেয়ে বড় উৎস সুন্দরবন থেকে মধু আহরণ মৌসুম চলবে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত।

এবার দুই হাজারের অধিক মৌয়াল সুন্দরবনে মধু আহরণে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার মৌয়ালরা। সোমবার (১ এপ্রিল) সকাল থেকে বন বিভাগের অনুমোদন নিয়ে দুই মাসের জন্য তারা জীবিকার সন্ধানে সুন্দরবনে মধু আহরণ করতে যাবেন।

আরও পড়ুন: রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সুবিধা দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক

এ বছর সুন্দরবন পশ্চিম ও পূর্ব বিভাগে মধু আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে আড়াই হাজার কুইন্টাল। আর মোম আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭৫০ কুইন্টাল।

ড. আবু নাসের বলেন, সুন্দরবনে মধু আহরণ মৌসুম শুরু হয়েছে। সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগে মধু আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে দেড় হাজার কুইন্টাল। আর মোম আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৫০ কুইন্টাল।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) কাজী মোহম্মদ নূরুল করিম বলেন, সুন্দরবন পূর্ব বিভাগে মধু আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার কুইন্টাল। আর মোম আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩০০ কুইন্টাল।

বন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মৌয়ালরা বনে প্রবেশ করার পর মধু আহরণের জন্য মধু সংগ্রহের সময় মৌমাছি তাড়াতে অগ্নিকুণ্ড, মশাল বা অনুরূপ কোনো দাহ্য পদার্থ এবং রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহার করতে পারবেন না। তাদের জন্য মোট নয়টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনা অমান্য করেল তার বিরুদ্ধে বন আইনে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।