পরিবেশমন্ত্রী ও ইইউ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, জলবায়ু সহযোগিতা জোরদারের আলোচনা

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:১৩ অপরাহ্ন, ০২ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৭:১৩ অপরাহ্ন, ০২ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, সবুজ জ্বালানি রূপান্তর এবং পরিবেশ সংরক্ষণে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: চীনে বিশেষ প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ কর্মকর্তা

আলোচনায় গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড, জলবায়ু অর্থায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ, কার্বন ক্রেডিট, সার্কুলার ইকোনমি এবং আসন্ন COP31 সংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার বৃক্ষরোপণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ, কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থার উন্নয়ন, অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে কাজ করছে। তিনি জানান, দেশব্যাপী সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান

তিনি আরও বলেন, শিল্পখাতে পরিবেশ ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে সাভারের ট্যানারি শিল্পসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইটিপি (Effluent Treatment Plant) কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, স্বল্পোন্নত দেশগুলো তুলনামূলকভাবে কম গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ করলেও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তাদের ওপর বেশি পড়ছে। তাই জলবায়ু অর্থায়ন সহজ ও সময়োপযোগী করা জরুরি।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বাংলাদেশের জলবায়ু ও পরিবেশগত উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি সবুজ জ্বালানি রূপান্তর, অভিযোজন কার্যক্রম এবং জলবায়ু অর্থায়ন সহজীকরণে বাংলাদেশ-ইইউ সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।

তিনি নীতিগত সংস্কার, উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।