ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎ
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে ডেপুটি স্পিকার ইয়াও ওয়েনকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও বহুমাত্রিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। সম্প্রতি চীনের ইউনান প্রদেশে তাঁর সফরের কথাও উল্লেখ করে সেখানকার আতিথেয়তা, আন্তরিকতা ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন তিনি।
আরও পড়ুন: ৮১তম উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান
বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে চীনের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন ডেপুটি স্পিকার। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ ও চীনের জনগণের উন্নয়নে দুই দেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা, জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।
সাক্ষাতে বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশ ও চীনের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯৮০ সালের চীন সফরের সময় দুই দেশের ভবিষ্যৎ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হয়।
আরও পড়ুন: সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী শাহজালাল বিমানবন্দরের ক্যানোপি-২ এলাকার ঘটনার সত্যতা
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের কথাও উল্লেখ করেন ইয়াও ওয়েন। তাঁর মতে, ওই সফর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করতে ভূমিকা রাখবে। দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে বাংলাদেশ-চীন পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মন্তব্য করেন চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত।
বৈঠকে সংসদীয় পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক সফর, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়। এ সময় মংলা বন্দর সুবিধার সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন এবং তিস্তা নদী প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়।
বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে পাওয়া সহযোগিতা ও আন্তরিকতার জন্য ডেপুটি স্পিকার এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ইয়াও ওয়েন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও চীনের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সাক্ষাৎ শেষে ডেপুটি স্পিকার ইয়াও ওয়েনের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের সাফল্য ও কল্যাণ কামনা করেন। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের উপররাষ্ট্রদূতসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





