কুমিল্লায় লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত পল্লী বিদ্যুতের ২১ লাখ গ্রাহক
কুমিল্লার ১৭ উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় ২১ লাখ গ্রাহক ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে ভুগছেন। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারায় গ্রাহক পর্যায়ে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
বিদ্যুৎ ঘাটতির চিত্র:
আরও পড়ুন: খননের অভাবে ১১০ খাল মরা
সমিতি গ্রাহক সংখ্যা দিনের চাহিদা সরবরাহ লোডশেডিং
পবিস-১৬ লাখ+ ১০০+ মেগাওয়াট ৭০ মেগাওয়াট ৭-৮ ঘণ্টা/দিন, ৩০%+
আরও পড়ুন: জেলা প্রশাসকের সাথে নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময়
পবিস-২-১৫০ মেগাওয়াট ১২৫ মেগাওয়াট তুলনামূলক কম, ত্রিপুরা থেকে সরাসরি পায়
পবিস-৩- ১৫৫ মেগাওয়াট ১১২ মেগাওয়াট ৬-৭ ঘণ্টা/দিন, ঘাটতি ৪৩.৪৮ মেগাওয়াট
পবিস-৪- ৮০ মেগাওয়াট ৫০-৫৫ মেগাওয়াট ৩০-৪০% সময়
মূল কারণ:
পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, বর্তমানে চাহিদার ৪০% ঘাটতি রয়েছে। উৎপাদনেও ঘাটতি চলছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১২-১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। গভীর রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা।
প্রভাব:
১. কৃষি: সেচপাম্প চালাতে না পারায় বোরো ধান চাষে ক্ষতির শঙ্কা। চান্দিনার কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, নিয়মিত পানি না দিলে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হবে।
২. শিল্প বিসিক শিল্পনগরীর ১৪১টি কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত। বিদ্যুৎ ও ডিজেল সংকটে জেনারেটরও চালানো Achcha না। ইপিজেডসহ সব শিল্প এলাকায় উৎপাদন কমেছে।
৩. গ্রাহক ভোগান্তি*: দেবিদ্বারের ভিংলাবাড়ীর গ্রাহক ইব্রাহিম মুন্সী জানান, গত ১৫ দিন ধরে দিনে ২-৩ ঘণ্টা ও রাতে ৩-৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। অভিযোগ করেও লাভ হয়নি।
নগরী বনাম গ্রাম:
পিডিবি কুমিল্লা নগরীতে ভারতের ত্রিপুরা গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ আনে। চাহিদা ১১০ মেগাওয়াটের বিপরীতে ৮০+ মেগাওয়াট সরবরাহ করায় লোডশেডিং কম। কিন্তু গ্রামীণ পর্যায়ে পল্লী বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে পারছে না।
সাংগঠনিক কাঠামো:
আরইবি জেলার ১৭ উপজেলাকে ৪ ভাগ করে ৪টি সমিতির মাধ্যমে বিদ্যুৎ দিচ্ছে। নগরীতে পিডিবি বিদ্যুৎ দেয়। মোট গ্রাহক প্রায় ১৮ লাখ।





