চট্টগ্রামে বাসযাত্রীর মোবাইল ছিনতাই চক্রের মূল হোতা আটক, উদ্ধার ১১টি স্মার্টফোন

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১১:৫৭ অপরাহ্ন, ০৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১:০৫ পূর্বাহ্ন, ১০ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালী থানা পুলিশ বাসে উঠে যাত্রীদের মোবাইল ফোন ও মূল্যবান মালামাল ছিনতাইকারী একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মূল হোতাকে আটক করেছে। এ সময় তার কাছ থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি ছোরা এবং বিভিন্ন সময় ছিনতাই করা ১১টি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ফোনগুলোর মধ্যে এক ভুক্তভোগীর ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোনও রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ৬ জুলাই ২০২৬ সকালে যাত্রীবেশে বাসে উঠে ছিনতাইকারী চক্রের কয়েকজন সদস্য চট্টগ্রাম মহানগরের কোতোয়ালী থানা এলাকায় ছোরা দেখিয়ে নাগরিক পত্রিকার প্রধান সম্পাদক রোমন শেখের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানায় পেনাল কোডের ৩৯২ ধারায় মামলা (নং-১৩, তারিখ: ০৬/০৭/২০২৬) দায়ের করা হয়।

আরও পড়ুন: সুবিধাবঞ্চিত যাত্রীদের কণ্ঠস্বর কবীর আহমেদ ভূঁইয়া, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে জোরালো আবেদন

মামলা দায়েরের পর কোতোয়ালী থানার একটি বিশেষ অভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে এবং তাদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৯ জুলাই বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে চট্টগ্রামের পটিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের মূল হোতা মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে বাদশা (৩৬)-কে আটক করা হয়। তিনি পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও এলাকার বাসিন্দা।

আরও পড়ুন: ৫ বছরের শিশুকে গণধর্ষণ ও হত্যার মামলার রায় ১০ কর্মদিবসে; ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১ জনের কারাদণ্ড

আটকের সময় তার কাছ থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি ছোরা এবং বিভিন্ন সময়ে ছিনতাই করা ১১টি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে রোমন শেখের ছিনতাইকৃত ফোনটিও রয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, আটক ব্যক্তি একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের সক্রিয় সদস্য। তিনি সহযোগীদের নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরের নিউ মার্কেট, স্টেশন রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসায়ী, পথচারী এবং বাসযাত্রীদের লক্ষ্য করে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটিয়ে আসছিলেন।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, আটক সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, চুরি, ছিনতাই এবং ডাকাতির প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক থানায় মোট ১৫টি মামলা রয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।