‘ম্যাচিউরিটি শুধু বয়সে আসে না, কাজ আর অভিজ্ঞতায় গড়ে ওঠে’

Any Akter
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৩৫ অপরাহ্ন, ১০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৩:৫১ অপরাহ্ন, ০১ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল মনে করেন, পরিপক্বতা বা ম্যাচিউরিটি শুধুমাত্র বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে আসে না; বরং কাজের অভিজ্ঞতা, মানুষের সঙ্গে মেলামেশা এবং জীবনের নানা বাস্তব পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তা গড়ে ওঠে।

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে নিজের ক্যারিয়ার, ব্যক্তিজীবন এবং মানসিক বিকাশ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই অভিনেত্রী। সেখানে ম্যাচিউরিটি সম্পর্কে প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন তিনি।

আরও পড়ুন: ‘আন্ধার’-এর প্রথম ঝলকেই চমক, নাজিফা তুষির লুকে বাড়ল কৌতূহল

কেয়া পায়েল বলেন, ‘আমরা অনেকেই হয়তো চিন্তা করি আমাদের বয়স ৩০-এর পরে আরও ম্যাচিউর হবো। তারপরে গিয়ে কাজ করবো। কিন্তু ম্যাচিউরিটিটা হয় তখনই কাজ করতে করতে। ম্যাচিউরিটিটা এমন না যে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে হয়, তবে বয়সের সঙ্গেও এক ধরনের ম্যাচিউরিটি হয়।’

তিনি মনে করেন, নির্দিষ্ট কোনো বয়সে পৌঁছানোর অপেক্ষা না করে কাজের মাধ্যমে শেখা এবং নিজেকে গড়ে তোলাই প্রকৃত পরিপক্বতার পথ।

আরও পড়ুন: আমির খানকে হত্যার হুমকি, তদন্তে মুম্বাই পুলিশ

ম্যাচিউরিটির বিষয়টিকে কেবল বয়সের সীমায় না বেঁধে আরও বিস্তৃতভাবে দেখার আহ্বান জানান কেয়া পায়েল। তার মতে, একজন মানুষ কোথায় মিশছেন, কী ধরনের পরিবেশে সময় কাটাচ্ছেন এবং কী কাজ করছেন— এসব বিষয় তার মানসিক বিকাশ ও পরিপক্বতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘ম্যাচিউরিটি হয় আসলে আমাদের পুরো জায়গাটা জুড়ে; আমরা কোথায় মিশছি, কী করছি— সবকিছুর উপরে। আমরা যত বেশি মিশব, যত বেশি কাজ করব, তত বেশি ম্যাচিউরিটি আসবে।’

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বয়সের চেয়ে অভিজ্ঞতা ও বাস্তব জীবনের শিক্ষা একজন মানুষকে প্রকৃত অর্থে পরিপক্ব করে তোলে।