বাংলাদেশ-আইসিআইএমওডির যৌথ অঙ্গীকার

জলবায়ু ও আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে নতুন উদ্যোগ

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:৪১ অপরাহ্ন, ০২ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৯:১৭ অপরাহ্ন, ০৩ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সুশাসন জোরদারে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে বাংলাদেশ ও ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি)।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং আইসিআইএমওডির মহাপরিচালক পেমা গিয়ামৎসোর মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো হয়।

আরও পড়ুন: দেশে হঠাৎ করে কালেমা খচিত সাদাকালো পতাকার মিছিল করছে কারা

বৈঠকে আইসিআইএমওডির মহাপরিচালক বাংলাদেশের সক্রিয় সম্পৃক্ততার প্রশংসা করে বলেন, হিমবাহ-নির্ভর আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। তিনি যৌথ পানি সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে একটি সমন্বিত আন্তঃসীমান্ত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় আইসিআইএমওডির চলমান মধ্যমেয়াদি মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সহযোগিতাও কামনা করা হয়।

আরও পড়ুন: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে শনিবার স্মরণসভা, প্রধান অতিথি তারেক রহমান

বৈঠকে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়কে বাংলাদেশে আইসিআইএমওডির ‘ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট’ হিসেবে মনোনয়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরিবেশমন্ত্রী এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উত্থাপন করবেন।

মন্ত্রী আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য আইসিআইএমওডির বোর্ড সভায় অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং সংস্থাটির মধ্যমেয়াদি কর্মপরিকল্পনাসহ ভবিষ্যৎ উদ্যোগ বাস্তবায়নে বাংলাদেশের ধারাবাহিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষই পরিবেশ ও জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তারা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ প্রধান নদীর উৎপত্তি প্রতিবেশী দেশগুলোতে হওয়ায় আন্তঃসীমান্ত জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু অভিযোজন এবং ‘মাউন্টেন-টু-ডেল্টা’ বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণে সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৈঠকের শেষে বাংলাদেশ ও আইসিআইএমওডির দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করা হয় এবং ভবিষ্যতে জলবায়ু, পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।