ইরানে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিচ্ছে ইসরাইল

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:০৪ পূর্বাহ্ন, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৮:০৪ পূর্বাহ্ন, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিচ্ছে ইসরাইল—এমন তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এক্সিওস। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মুহূর্তে ইরানে সরাসরি হামলার পক্ষে নন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইলি সেনাপ্রধান ইয়াল জামির সম্প্রতি ওয়াশিংটন ডিসি সফর করে মার্কিন সেনাপ্রধান জেনারেল ড্যান কেইনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে ইসরাইলের সামরিক ও প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা তুলে ধরা হয় এবং ইরান ইস্যুতে সমন্বয় নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: বরিশাল যাচ্ছেন তারেক রহমান, সমাবেশস্থলে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা

এক্সিওস জানায়, গত মাসের শুরুতে ইরানে তীব্র সরকারবিরোধী আন্দোলন চলাকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দেশটিতে সামরিক হামলার সম্ভাবনা বিবেচনা করেছিলেন। এমনকি তিনি প্রতীকী বা সীমিত আকারের হামলার পরিকল্পনাও করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে ইসরাইল তখন ছোট আকারের হামলার বিরোধিতা করে এবং বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নেয়।

পরবর্তীতে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনলে এবং নতুন করে আন্দোলনের গতি কমে গেলে ট্রাম্প হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। এরপর থেকেই ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়াতে থাকে।

আরও পড়ুন: আমিরের পর এবার জামায়াত সেক্রেটারির এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকড

ইসরাইলি সেনাপ্রধানের ওয়াশিংটন সফরের পর মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে ওই বৈঠকেও ইরানে সামরিক হামলার বিষয়ে সম্মতি দেননি ট্রাম্প।

অন্যদিকে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। আগামী শুক্রবার তুরস্কে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে সরাসরি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে আলোচনার আগেই সতর্কবার্তা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। মঙ্গলবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ইরান যদি কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে এবং ইরান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হলে সেটিই সবচেয়ে ভালো হবে, অন্যথায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।