শবে বরাত ২০২৬: ক্ষমা ও রহমতের রাতের তাৎপর্য ও ইবাদতের দিকনির্দেশনা

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:২৫ অপরাহ্ন, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৮:৪১ অপরাহ্ন, ০২ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

শবে বরাত ইসলামী বর্ষপঞ্জির শাবান মাসের অর্ধশাবানের রাতে পালিত একটি তাৎপর্যপূর্ণ রজনী। মুসলিমরা এই রাতকে ক্ষমা ও মুক্তি লাভের রাত হিসেবে গণ্য করেন। শাবান মাসের ১৪ তারিখ সন্ধ্যার পর শুরু হয়ে ১৫ তারিখ ভোর পর্যন্ত সময়কে শবে বরাত বা নিসফে শাবান বলা হয়। দক্ষিণ এশিয়ায় এটি শবে বরাত নামে পরিচিত হলেও, আরব দেশে বলা হয় লাইলাতুল বরাত, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় নিসফু শাবান, এবং তুরস্কে বেরাত কান্দিলি।

অনেক মুসলিম এই রাতে জেগে নামাজ, দোয়া ও কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। হাদিসে উল্লেখ আছে, মুয়াজ বিন জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন— আল্লাহ তায়ালা অর্ধ-শাবানের রাতে তার সৃষ্টির দিকে দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষপোষণকারী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করেন।" (সহিহ ইবনে হিব্বান: ৫৬৬৫)

আরও পড়ুন: ক্যালিফোর্নিয়ায় ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা সরকারি ছুটি

আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, একবার নবী (সা.) এত দীর্ঘ সিজদা করেন যে মনে হয় তিনি হয়তো মৃত্যুবরণ করেছেন। নবী (সা.) বলেন— এটা হলো অর্ধ-শাবানের রাত। আল্লাহ বান্দার প্রতি মনোযোগ দেন, ক্ষমাপ্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করেন, অনুগ্রহপ্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন, এবং বিদ্বেষ পোষণকারীদের তাদের অবস্থায় ছেড়ে দেন।

(শুআবুল ঈমান, বায়হাকি: ৩/৩৮২-৩৮৩; তাবারানি: ১৯৪)

আরও পড়ুন: আজকের নামাজের সময়সূচি

শবে বরাত মুসলিমদের জন্য আত্মপরিশোধ ও আল্লাহর কাছে নিকট হবার সুযোগ। এই রাতে দোয়া, নামাজ এবং কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মানুষকে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক উন্নতির সুযোগ মেলে।